
আল জাজিরার সহযোগিতায় নিউজ প্রবাসী:
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন কি না—এ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক যৌথ হামলার পর তার মৃত্যুর ইঙ্গিত দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।
প্রাথমিক স্যাটেলাইট চিত্রে তেহরানে খামেনির কমপাউন্ডে ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন দেখা গেছে বলে দাবি করা হলেও ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, খামেনি জীবিত আছেন এবং যুদ্ধ পরিস্থিতি সরাসরি তদারকি করছেন।
শনিবার ইরানজুড়ে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালায়। আবুধাবি, দোহা, বাহরাইন ও কুয়েতেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে জাতিসংঘ–এ ইরানের দূত আমির-সাইদ ইরাভানি বলেছেন, আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সব ঘাঁটি ও স্থাপনাকে বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করবে।
ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউজের সামনে নতুন যুদ্ধের আশঙ্কায় বিক্ষোভ করেছেন বহু মার্কিন নাগরিক। পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যাচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।