নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলাকে সম্ভাব্য ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক আইন বিশারদরা। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একাধিক বিশেষজ্ঞের স্বাক্ষরিত খোলা চিঠিতে এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, যুদ্ধের সময় বেসামরিক স্থাপনা—বিশেষ করে স্কুল, হাসপাতাল ও বসতবাড়িতে হামলা আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের শামিল। ইরানে সংঘটিত সাম্প্রতিক হামলাগুলো সেই সীমা অতিক্রম করেছে বলে তারা মনে করছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রম এবং উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের বক্তব্য আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী হতে পারে। এতে সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধের উপাদান রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলার হুমকি পুনর্ব্যক্ত করেন। তার এমন বক্তব্যকে উসকানিমূলক ও মানবতাবিরোধী বলে সমালোচনা করেছেন অধিকারকর্মীরা।
এর আগে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানে একটি স্কুলে হামলার ঘটনায় বহু হতাহতের খবর প্রকাশিত হয়। ওই ঘটনায় শতাধিক শিশুসহ বিপুলসংখ্যক মানুষের মৃত্যু আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, যুদ্ধের নামে বেসামরিক জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্যবস্তু করা হলে তা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে। একই সঙ্গে তারা সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় প্রাণহানি ও মানবিক সংকট আরও তীব্র হয়ে উঠছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।