
নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে ছাত্রলীগের কর্মী সন্দেহে মারধর করে পরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি ছাত্র সংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় ওই শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নাম রাহিদ খান পাভেল। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র। তার অভিযোগ, সেহরির সময় বুয়েটের কাজী নজরুল ইসলাম হলে গেলে কয়েকজন ছাত্র তাকে ঘিরে ধরে মারধর করে।
পাভেলের ভাষ্য, প্রথমে তাকে হলে মারধর করা হয়। পরে পলাশী এলাকায় নিয়ে আবারও নির্যাতন করা হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে নিয়ে গিয়ে কয়েকজন মিলে তাকে কিল-ঘুষি দেয়। শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়ে পড়লে পরে তাকে শাহবাগ থানায় রেখে যায় অভিযুক্তরা।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, মারধরের সময় তার মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ এবং মোটরসাইকেলের চাবিও নিয়ে নেওয়া হয়েছে।
যাদের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ তুলেছেন তাদের মধ্যে জাতীয় ছাত্রশক্তির কয়েকজন নেতা এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজনের নাম উল্লেখ করেছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
এদিকে শাহবাগ থানার এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সেহরির সময় কয়েকজন ছাত্র ওই শিক্ষার্থীকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। বর্তমানে তিনি পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন এবং অসুস্থ থাকায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তার শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক হলে পরবর্তী আইনি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ঘটনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। তবে বিষয়টি জানা যাওয়ার পর আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে প্রশাসন।