
নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
কক্সবাজার জেলায় রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর পাহাড় কাটার প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হাইকোর্টের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও চলছে অবাধ ‘মাটি বাণিজ্য’।
স্থানীয়দের মতে, রামু, পেকুয়া, উখিয়া ও সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রাতের অন্ধকারে একের পর এক পাহাড় কেটে ফেলা হচ্ছে। এসব মাটি ইটভাটা ও বিভিন্ন নির্মাণ প্রকল্পে ব্যবহার করা হচ্ছে।
বিশেষ করে ঈদের ছুটির সময় রামুর একটি এলাকায় প্রায় ২০০ ফুট উচ্চতার একটি পাহাড় সম্পূর্ণ সমতল করে ফেলার ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত ভারী যন্ত্র দিয়ে মাটি কেটে ট্রাকে করে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
পরিবেশকর্মীরা বলছেন, প্রশাসনের নজরদারির দুর্বলতা ও প্রভাবশালীদের সম্পৃক্ততায় এ অবৈধ কর্মকাণ্ড বেড়েই চলেছে। তাদের আশঙ্কা, এভাবে চলতে থাকলে কক্সবাজারের প্রাকৃতিক পাহাড়ি পরিবেশ দ্রুত বিলীন হয়ে যাবে।
পরিবেশ অধিদপ্তর জানায়, সম্প্রতি অভিযানে বেশ কয়েকটি স্থানে পাহাড় কাটার প্রমাণ পাওয়া গেছে এবং কিছু যন্ত্রপাতি জব্দ করা হয়েছে। তবে আইন প্রয়োগে নানা সীমাবদ্ধতার কারণে সব দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, বর্ষা মৌসুম সামনে থাকায় পাহাড় কাটার ফলে ভূমিধসের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যাবে। এতে প্রাণহানি ও বড় ধরনের পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে।