নিউজ প্রবাসী ডেক্স :

উপসাগরীয় অঞ্চলের চলমান সংকটের প্রভাব এবার সরাসরি পড়ছে দক্ষিণ এশিয়ার কৃষিতে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনার কারণে সারের সরবরাহ ও দামে অস্থিরতা দেখা দেওয়ায় কৃষকদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ।
ভারতের পাঞ্জাবের কৃষক রমেশ কুমারের মতো অনেকেই এখন ফসলের খরচ, বাজারদর ও পারিবারিক ব্যয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন। তাদের আশঙ্কা—সারের দাম বাড়লে উৎপাদন খরচও বেড়ে যাবে, যা শেষ পর্যন্ত খাদ্যদ্রব্যের বাজারে প্রভাব ফেলবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো সারের জন্য অনেকাংশে আমদানির ওপর নির্ভরশীল। আর এই সরবরাহের বড় অংশই আসে উপসাগরীয় অঞ্চল হয়ে। ফলে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সরবরাহ ব্যাহত হলে কৃষি উৎপাদনে বড় ধরনের ধাক্কা লাগতে পারে।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বে বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস পরিবহন হয়, যা সারের উৎপাদনের মূল উপাদান। এই পথ বন্ধ বা ব্যাহত হলে জ্বালানি ও পরিবহন খরচ বেড়ে যায়, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে সারের বাজারে।
বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও নেপালের মতো দেশে কৃষি খাত অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এসব দেশে লাখ লাখ কৃষক সারের ওপর নির্ভরশীল। সরবরাহে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি খাদ্যদ্রব্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে সরকারগুলো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং বিকল্প উৎস থেকে সার আমদানির চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে মাঠপর্যায়ের কৃষকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts