
নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
জাতীয় সংসদে কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই অল্প সময়ের মধ্যেই পাস হয়েছে সরকারি চাকরি সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিল। মাত্র আট মিনিটের মধ্যে কণ্ঠভোটে বিল দুটির অনুমোদন দেওয়া হয়, যা সংসদের কার্যক্রমে এক ব্যতিক্রমী ঘটনা হিসেবে দেখা দিয়েছে।
রোববার পাস হওয়া বিল দুটির একটি সরকারি চাকরিতে শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধান সংশোধন নিয়ে, আর অন্যটি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ নিয়ে। নতুন আইনে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩২ বছরই বহাল রাখা হয়েছে।
সংসদে বিল উত্থাপনের পর তা নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। বিরোধী দলের সদস্যরা ভোটে অংশ না নেওয়ায় বিষয়টি আরও দৃষ্টিগোচর হয়। যদিও তারা সরাসরি বিরোধিতা করেননি, তবে সমর্থনও দেননি।
নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বৈধ নির্দেশ অমান্য করলে বা কর্মক্ষেত্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এর জন্য শাস্তি হিসেবে পদাবনতি, বাধ্যতামূলক অবসর বা চাকরিচ্যুতির বিধান রাখা হয়েছে।
এছাড়া, তদন্ত প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে এবং অভিযোগের পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ ও তদন্ত কমিটি গঠনের বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে, চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নিয়ে দীর্ঘদিনের দাবি থাকলেও সরকার ৩২ বছর সীমাই বহাল রেখেছে। তবে যেসব পদে আগে থেকেই বেশি বয়সসীমা নির্ধারিত আছে, সেগুলো অপরিবর্তিত থাকবে।
বিল দুটি পাসের পর সংসদে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে চিফ হুইপ বিরোধী দলের ‘হ্যাঁ’ ভোট না দেওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেন।