নিউজ প্রবাসী ডেক্স :

যুক্তরাষ্ট্র জোরপূর্বক শ্রমের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ৬০টি দেশের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করায় বাংলাদেশের রপ্তানি খাত নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
এই তদন্তে বাংলাদেশ ছাড়াও চীন, ভারত, ভিয়েতনাম, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আপাতত এটি নীতি যাচাইয়ের একটি প্রক্রিয়া হলেও এর ফলাফল নেতিবাচক হলে ভবিষ্যতে রপ্তানি খাতে চাপ সৃষ্টি হতে পারে। তবে দেশের তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী শ্রমনীতি অনুসরণ করায় এ নিয়ে বড় ধরনের শঙ্কার কারণ নেই।
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, এ তদন্তে বাংলাদেশের রপ্তানিতে তেমন কোনো প্রভাব পড়বে না বলেই সরকারের ধারণা।
মার্কিন আইনের আওতায় পরিচালিত এই তদন্তে যদি কোনো দেশের বাণিজ্য নীতি ‘অন্যায্য’ বা ‘বৈষম্যমূলক’ হিসেবে বিবেচিত হয়, তাহলে শুল্ক আরোপ, আমদানি সীমাবদ্ধতা কিংবা বাণিজ্য সুবিধা প্রত্যাহারের মতো পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক বজায় রাখতে বাংলাদেশকে কৌশলী অবস্থান নিতে হবে এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমান আরও জোরদার করতে হবে।
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts