
নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
আরাকান আর্মি আগামী ২০২৭ সালের মধ্যে রাখাইন রাজ্য-এর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার লক্ষ্য ঘোষণা করেছে। গোষ্ঠীটির ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এ ঘোষণা দেন এর প্রধান তোয়াই ম্রা নাইং।
তিনি বলেন, নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে তারা আত্মবিশ্বাসী এবং সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে মিত্রদের সঙ্গে যৌথ লড়াই অব্যাহত থাকবে।
২০২৩ সালের শেষ দিক থেকে শুরু হওয়া অভিযানে এ পর্যন্ত রাখাইনের ১৪টি টাউনশিপ এবং দক্ষিণ চিন রাজ্যের পালেতওয়া অঞ্চল দখল করেছে সংগঠনটি। বর্তমানে কেবল সিত্তুয়ে, কিয়াকফিউ ও মানাউং—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা এখনো মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
আরাকান আর্মি ‘ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’-এর সদস্য হিসেবে জান্তা বিরোধী অভিযানে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে। ২০২৩ সালের নভেম্বরে রাখাইনে বড় ধরনের অভিযান শুরু করার আগে উত্তরাঞ্চলের শান রাজ্যে ‘অপারেশন ১০২৭’ চালায় এই জোট।
সামরিক অগ্রগতির পাশাপাশি নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে নিজেদের প্রশাসনিক কাঠামোও গড়ে তুলেছে গোষ্ঠীটি। সেখানে আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।
তবে চলমান সংঘাতে বেসামরিক জনগণের দুর্ভোগ বাড়ছে। জান্তা বাহিনীর বিমান ও নৌ হামলায় বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে, যা উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
২০০৯ সালে মাত্র ২৬ জন সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করা আরাকান আর্মি এখন মিয়ানমারের অন্যতম শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠীতে পরিণত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।