নিউজ প্রবাসী ডেক্স :

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপনের জন্য নতুন পরিপত্র জারি করেছে সরকার। এতে মোট ৮৯টি দিবসের তালিকা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ‘ক’ শ্রেণিতে ১৭টি, ‘খ’ শ্রেণিতে ৩৭টি এবং ‘গ’ শ্রেণিতে ৩৫টি দিবস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
আগের অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নির্ধারিত তালিকায় বড় কোনো পরিবর্তন না এনে তা মূলত বহাল রেখেছে বর্তমান সরকার। ফলে ‘ক’ শ্রেণির দিবস হিসেবে ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ এবং ‘খ’ শ্রেণিতে ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ আগের মতোই তালিকায় রয়েছে।
তবে এর আগে বাতিল হওয়া ৭ মার্চ, ১৫ আগস্টসহ আটটি জাতীয় দিবস নতুন তালিকায় পুনর্বহাল করা হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০২৪ সালের অক্টোবরে এসব দিবস বাতিল করা হয়েছিল।
বাতিল হওয়া দিবসগুলোর মধ্যে ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস (১৭ মার্চ), ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ দিবস, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস, শেখ কামাল ও শেখ রাসেল দিবসসহ আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।
নতুন পরিপত্র অনুযায়ী ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবসগুলো জাতীয়ভাবে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হবে। ‘খ’ শ্রেণির দিবসগুলোর ক্ষেত্রে গুরুত্ব অনুযায়ী কর্মসূচি নেওয়া যাবে এবং এসব আয়োজনে সরকারি তহবিল থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা ব্যয় করা যেতে পারে। অন্যদিকে ‘গ’ শ্রেণির দিবসগুলো সীমিত পরিসরে পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এবারের তালিকায় একটি পরিবর্তন হয়েছে। ১৭ অক্টোবর লালন সাঁইয়ের তিরোধান দিবসকে ‘ক’ শ্রেণির জাতীয় দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ‘গ’ শ্রেণির তালিকা থেকে ২৩ মার্চের বিএনসিসি ডে বাদ দেওয়া হয়েছে।
সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জাতীয় উৎসব ছাড়া অন্য দিবস পালনে অতিরিক্ত সাজসজ্জা বা বড় ধরনের আয়োজন পরিহার করতে হবে এবং কর্মদিবসে শোভাযাত্রা বা সমাবেশ আয়োজন নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts