
নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের শিক্ষা, আয় ও সম্পদের বিবরণে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা গেছে। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থীরা শিক্ষা, আয় ও সম্পদের দিক থেকে এগিয়ে থাকলেও তাদের বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যাও তুলনামূলক বেশি।
৫০টি সংরক্ষিত আসনের মধ্যে বিএনপি জোটের ৩৬ জন, জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের ১২ জন এবং একটি স্বতন্ত্র জোটের ১ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ হয়েছে। আগামী ২৯ এপ্রিল মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময় শেষ হলে তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
হলফনামা অনুযায়ী, বিএনপি জোটের প্রার্থীদের মধ্যে ৮৫ বছর বয়সী প্রবীণ নেত্রী যেমন রয়েছেন, তেমনি ৩২ বছর বয়সী তরুণ প্রার্থীও আছেন। এদের মধ্যে কেউ কোটি টাকার আয় দেখিয়েছেন, আবার কেউ স্বশিক্ষিত হিসেবেও মনোনয়ন পেয়েছেন।
অন্যদিকে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থীদের অধিকাংশই প্রথমবারের মতো সংসদে যাচ্ছেন। তাদের বিরুদ্ধে মামলা নেই বললেই চলে এবং তাদের আয়-সম্পদের পরিমাণ তুলনামূলক কম। এ জোটের প্রার্থীদের বয়সসীমা ৩৭ থেকে ৬৭ বছরের মধ্যে।
প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে প্রবীণ বিএনপির সেলিমা রহমান, যিনি এর আগে দুই দফা সংসদ সদস্য ছিলেন। তার বার্ষিক আয় ৩৬ লাখ টাকার বেশি এবং সম্পদ প্রায় ৭ কোটি টাকার কাছাকাছি।
এছাড়া বিএনপি জোটের আরও কয়েকজন প্রার্থী কোটি টাকার সম্পদ ও উচ্চ আয়ের তথ্য দিয়েছেন। একইসঙ্গে অনেকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলার তথ্যও উঠে এসেছে, যদিও অধিকাংশই খালাস বা প্রত্যাহার হয়েছে।
স্বতন্ত্র জোটের একমাত্র প্রার্থী সুলতানা জেসমিনের বার্ষিক আয় প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা এবং সম্পদ প্রায় ২৮ লাখ টাকার মতো।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরই সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।