প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক জনকণ্ঠ কার্যালয়ে অব্যাহতিপ্রাপ্ত কিছু কর্মচারীর বিক্ষোভের সময় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ তুলে ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে পত্রিকাটির কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। রোববার (৫ জুলাই) প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জনকণ্ঠ কর্তৃপক্ষ জানায়, অব্যাহতিপ্রাপ্ত ৩০ থেকে ৩৫ জন কর্মচারী কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। একপর্যায়ে তারা মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন এবং ভবনের ভেতরে কর্মরত প্রায় ৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী কর্মীও ছিলেন। কয়েকজন আন্দোলনকারী দেয়াল টপকে ভবনের ভেতরে প্রবেশ করলে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয় বলে দাবি করা হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈদ্যুতিক লাইনে ত্রুটির কারণে ভবনে জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছিল। দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ থাকার ফলে জেনারেটরের জ্বালানি শেষ হয়ে ভবন অন্ধকারে ডুবে যায়। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চরম ভোগান্তির মুখে পড়েন।জনকণ্ঠ কর্তৃপক্ষের দাবি, আইনানুগভাবে অব্যাহতি পাওয়া কর্মচারীদের পাওনা পরিশোধের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে ২৬ জনের চূড়ান্ত পাওনা পরিশোধ করা হয়েছে এবং আরও ৪০ জনের অর্থ পরিশোধের প্রস্তুতি ছিল। তবে বিক্ষোভের কারণে সেই কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও অভিযোগ করা হয়, অতীতেও একই গোষ্ঠী জনকণ্ঠের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এবারের ঘটনাও সেই ধারাবাহিকতার অংশ বলে দাবি করা হয়েছে।জনকণ্ঠের সম্পাদক, মুদ্রাকর ও প্রকাশক শামীমা আতিকউল্লাহ খানা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।উল্লেখ্য, এ প্রতিবেদনটি দৈনিক জনকণ্ঠ কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। এতে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।