
নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
জাতীয় সংসদের নতুন সাউন্ড সিস্টেম ও হেডফোন ব্যবস্থাপনা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন শাহজাহান চৌধুরী। তিনি দাবি করেছেন, সংসদ সদস্যদের জন্য আনা এ ব্যবস্থা অপ্রয়োজনীয় এবং এতে রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় হয়েছে।
রোববার জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান হেডফোনগুলো অত্যন্ত ভারী হওয়ায় দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা কষ্টকর। তার মতে, “এত বড় হেডফোন মাথায় নিয়ে এক-দুই ঘণ্টা বসে থাকা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।”
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ-এ অনুষ্ঠিত অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ-এর সভাপতিত্বে তিনি আরও বলেন, অতীতের সংসদ অধিবেশনগুলোতে এ ধরনের ভারী হেডফোন ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম-১৪ আসনের এই সংসদ সদস্যের মতে, সাধারণ মানের হেডফোন বা উন্নত সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করলেই সংসদের কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব।
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দিনও সাউন্ড সিস্টেমে প্রযুক্তিগত ত্রুটি দেখা দেয়। অধিবেশন চলাকালে মাইক্রোফোনে সমস্যা দেখা দিলে স্পিকার কিছু সময় হ্যান্ডমাইক ব্যবহার করে কার্যক্রম পরিচালনা করেন এবং পরে প্রায় ২০ মিনিটের জন্য অধিবেশন মুলতবি করেন।
এদিকে একই বিষয় নিয়ে সংসদের আরেক সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম-ও আপত্তি জানিয়েছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, নতুন হেডফোনের সাউন্ড কোয়ালিটি নিম্নমানের হওয়ায় তা ব্যবহার করতে গিয়ে অস্বস্তি তৈরি হচ্ছে।
সংসদের নতুন সাউন্ড সিস্টেম নিয়ে সংসদ সদস্যদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে বলে স্পিকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।