
নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্য নিয়ে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে দোকান বন্ধ রাখার সরকারি সিদ্ধান্তে খুচরা ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তাদের দাবি, এই নতুন সময়সীমার কারণে বিক্রি কমেছে ১০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, দিনের বেলা পাইকারি কেনাবেচা চললেও মূল বিক্রির সময় ছিল সন্ধ্যা। অফিস শেষে ক্রেতারা সাধারণত বাজারে আসেন, কিন্তু এখন দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সেই সুযোগ হারিয়ে যাচ্ছে। ফলে বিক্রির পাশাপাশি বকেয়া আদায় ও দৈনিক হিসাব সম্পন্ন করতেও সমস্যায় পড়ছেন তারা।
ঢাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সন্ধ্যা নামতেই দোকান বন্ধের প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে। এতে ক্রেতারাও অস্বস্তিতে পড়ছেন। অনেকেই জানিয়েছেন, দিনের গরমে কেনাকাটা করা কষ্টকর হওয়ায় তারা আগে সন্ধ্যাতেই বাজার করতেন।
ব্যবসায়ীদের মতে, সময়সীমা পুনর্বিবেচনা করে দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার সুযোগ দিলে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে পারে। তারা মনে করেন, বিদ্যুতের ব্যবহার বিশ্লেষণ করে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নিলে ব্যবসা ও ভোক্তা—উভয় পক্ষই উপকৃত হবে।
অন্যদিকে, সরকার বলছে—জ্বালানি সংকটের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী ভবিষ্যতে তা সমন্বয় করা হতে পারে।