
নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
ইরান তাদের পরমাণু অস্ত্র নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা খুবই কম বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত অবস্থান নির্ধারণে নতুন সর্বোচ্চ নেতার মতামত এখনও প্রকাশ পায়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, অতীতে ধর্মীয় ফতোয়ার ভিত্তিতে ইরান গণবিধ্বংসী অস্ত্র তৈরির বিরোধিতা করেছে, এবং সেই অবস্থান এখনো বহাল রয়েছে।
এদিকে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন করে বিধিবিধান প্রণয়নের পরিকল্পনার কথাও জানান আরাকচি। তিনি বলেন, চলমান সংঘাত শেষে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে নৌযান চলাচলের জন্য একটি নতুন নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলা হবে।
বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহের এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি বন্ধ রয়েছে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য এই পথ দিয়ে তেল পরিবহন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তে অটল থাকবে তেহরান।
অন্যদিকে, ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর একটি আন্তর্জাতিক নৌজোট গঠনের প্রচেষ্টা থাকলেও অনেক দেশ এতে সরাসরি জড়াতে অনীহা দেখিয়েছে। ফ্রান্স জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি ও আলোচনার অগ্রগতির ওপরই তাদের সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে।
আঞ্চলিক উত্তেজনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকেই দায়ী করে আরাকচি বলেন, মার্কিন সামরিক উপস্থিতি শহরের কাছাকাছি হওয়ায় হামলার প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপর পড়ছে। তবে এতে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি দুঃখ প্রকাশও করেন তিনি।