
নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও দেশের সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনা করে ডিজেলের মূল্য অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, দেশের মোট জ্বালানি ব্যবহারের বড় অংশই ডিজেল নির্ভর। ফলে ডিজেলের দাম বাড়লে কৃষি, পরিবহন ও নিত্যপণ্যের বাজারে ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে। সে কারণেই সরকার এই খাতে বড় অঙ্কের ভর্তুকি দিয়েও ডিজেলের দাম বাড়ায়নি।
তিনি বলেন, “সরকার চায় না সাধারণ মানুষ নতুন করে চাপের মুখে পড়ুক। তাই পরিস্থিতি কঠিন হলেও ডিজেলের দাম আপাতত অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।”
তবে জুন মাসের জন্য অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে। নতুন দরে কেরোসিন ১৩৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা এবং অকটেন ১৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম যদি দ্রুত কমে আসে, তাহলে দেশেও সমন্বয় করে মূল্য হ্রাসের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন তিনি। ঈদের সময় দেশের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কথা স্বীকার করে অমিত বলেন, কালবৈশাখী ঝড় ও ভারী বৃষ্টির কারণে পল্লী বিদ্যুতের বিভিন্ন লাইনে ক্ষতি হয়েছে। তবে সরকার দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কাজ করছে।
তিনি আরও জানান, দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় কমাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। পাশাপাশি অফশোর গ্যাস অনুসন্ধান ও নতুন এফএসআরইউ স্থাপনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রীর ভাষায়, “মানুষের কষ্ট আমরা বুঝি। সেই কষ্ট কমাতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।”