নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
বৈশ্বিক চাহিদা হ্রাস, জ্বালানি সংকট এবং অভ্যন্তরীণ নানা সমস্যার কারণে দেশের তৈরি পোশাক শিল্প কঠিন সময় পার করছে। ক্রয়াদেশ কমে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, বাড়ছে কারখানা বন্ধের সংখ্যা এবং কমছে রপ্তানি আয়। একই সঙ্গে গত ছয় মাসে ১৯ হাজারের বেশি শ্রমিক চাকরি হারিয়েছেন।বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) জানিয়েছে, গত তিন বছর দুই মাসে ২৫৬টি পোশাক কারখানা বন্ধ হলেও এ সময়ে নতুন করে চালু হয়েছে ৩২৩টি কারখানা। তবে নতুন কারখানা চালু হলেও রপ্তানি আয়ে ইতিবাচক পরিবর্তন আসেনি।২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের পোশাক রপ্তানি আগের বছরের তুলনায় ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ কমে ৩৮ দশমিক ৭০ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি, জ্বালানি সংকট এবং দেশে ব্যবসার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তারা খাতটিকে টিকিয়ে রাখতে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা, অর্থায়নে সহায়তা এবং দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত রোডম্যাপ প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।বিজিএমইএ বলছে, কারখানা বন্ধের কারণ ও এর প্রভাব নিয়ে একটি সমীক্ষা চলছে। সমীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে খাতটির সংকট মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।