
নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump–এর পররাষ্ট্রনীতি ও সামরিক পদক্ষেপ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেকে শান্তি প্রতিষ্ঠার পক্ষে উপস্থাপন করলেও, সমালোচকদের মতে তাঁর প্রশাসনের সময় একাধিক দেশে সরাসরি বা পরোক্ষ সামরিক তৎপরতা বেড়েছে।
বিশ্লেষকদের দাবি, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে সংঘাত পরিস্থিতি জটিল হয়েছে ওয়াশিংটনের অবস্থানের কারণে। বিশেষ করে সিরিয়া, ইরান, ইয়েমেন, লেবাননসহ কয়েকটি দেশে উত্তেজনা বৃদ্ধির পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধ থেকে শুরু করে আফগানিস্তানে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক উপস্থিতির মতো অতীত ইতিহাসও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সমালোচকদের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতির সঙ্গে জ্বালানি ও ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ জড়িত থাকার অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
এদিকে মার্কিন কংগ্রেসের কিছু সদস্য অভিযোগ করেছেন, সাম্প্রতিক সামরিক সিদ্ধান্তগুলোর ক্ষেত্রে যথাযথ অনুমোদন নেওয়া হয়নি। কয়েকজন সিনেটর প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন, ইরানকে ঘিরে সামরিক পদক্ষেপ কতটা তাৎক্ষণিক হুমকির ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, বিদেশে সামরিক শক্তি প্রয়োগের প্রশ্নে মার্কিন জনগণের বড় অংশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নাগরিক নতুন করে যুদ্ধ জড়ানোর বিপক্ষে মত দিয়েছেন।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রাশিয়াসহ কয়েকটি দেশও যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে। তাদের দাবি, আলোচনার পথ খোলা রেখেই সমাধান খোঁজা উচিত ছিল।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বৈশ্বিক রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে মতপার্থক্য থাকলেও, যুদ্ধ ও শান্তির প্রশ্নে মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও স্পষ্ট বিভাজন দেখা যাচ্ছে।