
নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
৩ মার্চ দোলপূর্ণিমার দিন আকাশে দেখা যাবে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের বিরল দৃশ্য। ভারতের আকাশে এই জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা দৃশ্যমান হবে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, গ্রহণের সময় ও রাতে কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম পালন করলে মানসিক শক্তি বৃদ্ধি এবং ইচ্ছাপূরণের সম্ভাবনা বাড়ে বলে বিশ্বাস করা হয়।
শাস্ত্রজ্ঞদের মতে, গ্রহণের রাতে চাঁদের আলোয় শান্ত পরিবেশে বসে নিজের লক্ষ্য বা মনোবাসনা কাগজে লিখে রাখা শুভ। এ সময় মনোসংযোগ ধরে রাখা এবং ইতিবাচক ভাবনা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
আরও একটি প্রচলিত বিশ্বাস হলো—গ্রহণ চলাকালীন চাঁদের আলোয় একটি পাত্রে জল রেখে পরে সেই জল স্নানের জলে মিশিয়ে স্নান করলে আত্মশুদ্ধি ঘটে।
গ্রহণ পরবর্তী সময়ে স্নান সেরে সাদা বস্ত্র বা খাদ্যসামগ্রী দান করাকেও শুভ মনে করা হয়। জ্যোতিষ মতে, এতে জীবনের বাধা দূর হয়ে সৌভাগ্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
তবে এগুলি ধর্মীয় ও শাস্ত্রীয় বিশ্বাসভিত্তিক পরামর্শ—বিজ্ঞানসম্মত প্রমাণ নয়। গ্রহণ একটি প্রাকৃতিক জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা, তাই নিরাপদে উপভোগ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।