
নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
বাংলাদেশে হাম পরিস্থিতি বর্তমানে উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। অল্প সময়ের মধ্যে শতাধিক শিশুর মৃত্যু এবং হাজারো আক্রান্তের ঘটনায় স্বাস্থ্যখাতের প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় মাসে প্রায় ৩০০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং কয়েক হাজার শিশু আক্রান্ত হয়েছে। সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যা ৪০ হাজার ছাড়িয়েছে, যা পরিস্থিতির ভয়াবহতা স্পষ্ট করে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময়মতো টিকাদান কার্যক্রম জোরদার না করা, জনসচেতনতার অভাব এবং সমন্বয়হীনতা এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশেষ করে দুর্গম এলাকায় টিকা পৌঁছাতে না পারা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইতোমধ্যে বাংলাদেশকে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। অনেক বিশেষজ্ঞ এটিকে কার্যত মহামারীর লক্ষণ হিসেবেই দেখছেন।
এদিকে, টিকাদান কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি টিকার মজুদ শেষ হয়ে যাওয়ায় সংকট আরও গভীর হয়েছে। জনবল ঘাটতি ও প্রশাসনিক জটিলতাও কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করছে।
চিকিৎসকদের মতে, উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত আইসোলেশন নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তবে বাস্তবে এসব নির্দেশনা পুরোপুরি কার্যকর হচ্ছে না।
বিশেষজ্ঞদের অভিমত, দ্রুত কার্যকর পরিকল্পনা, টিকার পর্যাপ্ত সরবরাহ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হবে।