
নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি আমদানি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই কিছুটা স্বস্তির খবর এসেছে। এলএনজি ও এলপিজি বোঝাই আটটি জাহাজ বাংলাদেশের জলসীমায় পৌঁছেছে।
রোববার সকালে এসব জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের কাছাকাছি কুতুবদিয়া ও মহেশখালী এলাকার সমুদ্রসীমায় নোঙর করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম।
বন্দর সূত্র জানায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগেই জাহাজগুলো ঝুঁকিপূর্ণ পথ অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছিল। ফলে নির্ধারিত সময়েই সেগুলো বাংলাদেশের জলসীমায় এসে পৌঁছায়।
এসব জাহাজের মধ্যে পাঁচটি বড় এলএনজি কার্গো কাতার থেকে এসেছে। ফ্রান্সের পতাকাবাহী ‘আল জুর’, গ্রিসের ‘আল জাসাসিয়া’ এবং বাহামার পতাকাবাহী ‘লুসাইল’ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ এলএনজি বহন করে এনেছে। এছাড়া লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘আল গালায়েল’ ও ‘লেব্রেথাহ’ নামের দুটি জাহাজেও এলএনজি রয়েছে। এসব জাহাজের স্থানীয় এজেন্সি হিসেবে কাজ করছে ইউনিগ্লোবাল।
অন্যদিকে ওমানের সোহার বন্দর থেকে এলপিজি নিয়ে পানামার পতাকাবাহী দুটি জাহাজ চট্টগ্রামে এসেছে। ‘এলপিজি সেভান’ ও ‘জি ওয়াইএমএম’ নামের জাহাজ দুটি বিপুল পরিমাণ এলপিজি বহন করছে। এগুলোর পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে ইউনিক মেরিটাইম।
এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে এমইজি বোঝাই লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘বে ইয়াসু’ নামের আরেকটি জাহাজও চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করেছে।
বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ২৮ ফেব্রুয়ারির আগে যেসব জাহাজ যাত্রা শুরু করেছিল সেগুলো বাংলাদেশে পৌঁছাতে পারলেও পরে অনেক জ্বালানিবাহী জাহাজ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন বন্দরে আটকে পড়েছে।
পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশে জ্বালানি মজুত স্বাভাবিক রাখতে এবং হঠাৎ অতিরিক্ত কেনাবেচা ঠেকাতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) শুক্রবার থেকে পেট্রোল পাম্পে নির্দিষ্ট পরিমাণে জ্বালানি বিক্রির ব্যবস্থা চালু করেছে