
নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
দেশে চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের কারণে মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কের স্থিতিশীলতা নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন উদ্বেগ। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের ফলে টেলিকম অবকাঠামো সচল রাখা কঠিন হয়ে পড়ায় পরিস্থিতি মোকাবেলায় জরুরি উদ্যোগ নিচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন।
সংস্থাটি জানিয়েছে, মোবাইল অপারেটর, টাওয়ার কোম্পানি ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে ধারাবাহিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। জেনারেটরের ওপর নির্ভরতা বাড়লেও জ্বালানি তেলের ঘাটতির কারণে সেটিও এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ অবস্থায় টেলিকম সেবা চালু রাখতে টাওয়ার কোম্পানিগুলো সরকারকে এই খাতকে ‘জরুরি সেবা’ হিসেবে ঘোষণা করার আহ্বান জানিয়েছে। তাদের মতে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির অগ্রাধিকার না পেলে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে।
আগামী বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন, বিদ্যুৎ বিভাগ ও বিভিন্ন অপারেটরের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার কৌশল নির্ধারণ করা হবে। পাশাপাশি টেলিকম সাইটগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা হবে।
বর্তমানে দেশে প্রায় ৪৫ হাজার টেলিকম টাওয়ার বিদ্যুৎ ও জেনারেটরনির্ভর ব্যাকআপে পরিচালিত হচ্ছে। জ্বালানি সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে এসব টাওয়ারের কার্যক্রম ব্যাহত হয়ে কোটি গ্রাহকের যোগাযোগ সেবায় বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত সমন্বিত পদক্ষেপ না নিলে মোবাইল নেটওয়ার্ক আংশিক বা পুরোপুরি অচল হয়ে পড়তে পারে, যা দেশের অর্থনীতি ও জরুরি সেবায় বড় প্রভাব ফেলবে।