
নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদের মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া না হওয়ায় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক ছাত্রনেতা ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা বলছেন, এমন একজন জাতীয় নেতাকে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ না দেওয়া দুঃখজনক।
শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও শেষ মুহূর্তে তা বাতিল হয়ে যায়। আয়োজকদের দাবি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে লিখিতভাবে অবহিত করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা এ ধরনের কোনো আবেদন পায়নি।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহীদ মিনার এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে তোফায়েল আহমেদের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, অনুমতি না পাওয়ায় মরদেহ শহীদ মিনারে নেওয়া সম্ভব হয়নি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের প্রতি রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক আচরণ ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।