নিউজ প্রবাসী ডেক্স:
বরিশাল সদর উপজেলায় পাওনা টাকা পরিশোধ নিয়ে বিরোধের জেরে এক ঠিকাদারকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় প্রাণ বাঁচাতে খালে ঝাঁপ দেন ভুক্তভোগী সুলতান আহমেদ। বুধবার সন্ধ্যায় রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের মাখরকাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
বরিশাল মহানগর পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, পূর্ববিরোধের জেরে গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ভুক্তভোগী সুলতান আহমেদ নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিনাফুলিয়া এলাকার সালাম হাওলাদারের ছেলে। তিনি নুসরাত এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। প্রতিষ্ঠানটি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও আনসার বাহিনীর জন্য জুতা, বেল্ট, কালি உள்ளிட்ட বিভিন্ন সামগ্রী সরবরাহ করে।
সাবেক কাউন্সিলর ফরিদ আহমেদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকায় ঠিকাদারি ব্যবসা পরিচালনাকারী সুলতানের কাছে তাঁর ব্যবসায়িক অংশীদার মাগুরার বাসিন্দা সালাহউদ্দিন ওরফে সোহেল রানার বিপুল পরিমাণ টাকা পাওনা ছিল। বুধবার সন্ধ্যায় পাওনা পরিশোধের কথা বলে সোহেল সেখানে যান।
কিন্তু টাকা পরিশোধের পরিবর্তে চেক দেওয়াকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিরোধ দেখা দেয়। চেক গ্রহণের পর একটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করা নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সুলতানকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হলে আত্মরক্ষার্থে তিনি পাশের খালে ঝাঁপ দেন এবং চিৎকার শুরু করেন। পরে মাইক্রোবাস নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন সোহেল রানা বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে সুলতান আহমেদ জানান, তাঁদের আসার পেছনে অসৎ উদ্দেশ্য ছিল বলে তাঁর সন্দেহ। এ ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ কীভাবে গুলি চালানোর ঘটনায় রূপ নিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।