নিউজ প্রবাসী ডেক্স:
বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকট ও মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি খাত অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। একই সঙ্গে আগের সরকারের কাছ থেকে পাওয়া রাজস্ব ঘাটতি, ব্যাংক খাতের অনিয়ম এবং বিদেশে অর্থ পাচারের মতো সংকট মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই) আয়োজিত ‘সাসটেইনেবল পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি: ড্রাইভিং ইনভেস্টমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। এ সময় তিনি জ্বালানি খাতের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সংস্কারে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
আমির খসরু বলেন, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে কর ছাড় ও প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। বাসাবাড়ি ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপনে উৎসাহিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ নির্ধারিত ট্যারিফের চেয়ে বেশি দামে কেনার ব্যবস্থাও করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
গ্যাসের সরবরাহ বাড়াতে সমুদ্র ও স্থলভাগে অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। চুক্তিভিত্তিক অনুসন্ধানের পাশাপাশি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানিকে (বাপেক্স) শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ১৫০টি কূপ খননের সিদ্ধান্ত এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
গ্যাস সংকট মোকাবিলায় তিন থেকে চারটি নতুন ভাসমান সংরক্ষণ ও পুনঃগ্যাসীকরণ ইউনিট (এফএসআরইউ) চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এ প্রকল্পে কোরিয়া, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি বিনিয়োগকার