নিউজ প্রবাসী ডেক্স:

দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম আবারও বাড়বে কি না, তা নির্ধারণে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) গণশুনানিতে বসছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। পরিবহণ, মজুত ও বিপণন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার যুক্তি দেখিয়ে এলপিজির দাম সমন্বয়ের দাবি জানিয়েছেন আমদানিকারক, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতারা।

বৃহস্পতিবারের শুনানিতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ের মূল্য সংশোধনের প্রস্তাব পর্যালোচনা করা হবে। এ সময় এলপিজি বোতলজাতকরণ, মজুত ও বিক্রির বিভিন্ন পর্যায়ে ব্যবসায়ীদের প্রস্তাবিত ব্যয় এবং মুনাফার বিষয়গুলো বিবেচনায় নেবে কমিশন। শুনানিতে উত্থাপিত তথ্য ও প্রস্তাব বিশ্লেষণ করে দাম পুনর্নির্ধারণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে গত ৪ অক্টোবর ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। একই সঙ্গে বিভিন্ন ওজনের সিলিন্ডারের দামও আনুপাতিক হারে বাড়ানো হয়। সে সময় প্রতি কেজি এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৫৩ টাকা ৬ পয়সা।

এ ছাড়া যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও বাড়ানো হয়েছিল। প্রতি লিটারের দাম ৭৩ টাকা ৯ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা নির্ধারণ করে কমিশন।

৪ অক্টোবরের নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, সাড়ে ৫ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ছিল ৮৪২ টাকা এবং সাড়ে ১২ কেজির দাম ১ হাজার ৯১৩ টাকা। ১৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ২৯৬ টাকা, ১৬ কেজির ২ হাজার ৪৪৯ টাকা, ১৮ কেজির ২ হাজার ৭৫৫ টাকা এবং ২০ কেজির সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩ হাজার ৬১ টাকা।

এ ছাড়া ২২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৩ হাজার ৩৬৭ টাকা, ২৫ কেজির ৩ হাজার ৮২৭ টাকা, ৩০ কেজির ৪ হাজার ৫৯২ টাকা, ৩৩ কেজির ৫ হাজার ৫১ টাকা, ৩৫ কেজির ৫ হাজার ৩৫৭ টাকা এবং ৪৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ছিল ৬ হাজার ৮৮৮ টাকা।

ব্যবসায়ীদের ব্যয় বৃদ্ধির দাবি বিবেচনায় নিয়ে কমিশন নতুন মূল্য নির্ধারণ করলে ভোক্তাপর্যায়ে এলপিজির দামে পরিবর্তন আসতে পারে। তবে দাম বাড়বে, কমবে নাকি অপরিবর্তিত থাকবে, তা নির্ভর করছে শুনানি শেষে বিইআরসির সিদ্ধান্তের ওপর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts