নিউজ প্রবাসী ডেক্স :

কাজ শেষ হওয়ার আগেই ঠিকাদারকে বিল পরিশোধের অভিযোগে বিভাগীয় তদন্ত চলমান থাকা অবস্থাতেই সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের (সওজ) এক প্রকৌশলীকে নতুন একটি বড় প্রকল্পের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. শওকত আলীকে সম্প্রতি ‘সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে তিনি কুমিল্লা সড়ক জোনে দায়িত্ব পালনকালে একটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই ঠিকাদারকে বিল ও জামানতের অর্থ ছাড় দেওয়ার অভিযোগে তদন্তের মুখে পড়েন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওই প্রকল্পে কিছু কাজ অসম্পূর্ণ থাকা সত্ত্বেও চূড়ান্ত বিল অনুমোদনের প্রাথমিক সত্যতা তদন্তে উঠে আসে। পরে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়, যা এখনও নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
তবে সরকারি নীতিমালার দিক থেকে বিভাগীয় মামলা চলাকালীন কোনো কর্মকর্তাকে নতুন দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে সরাসরি বাধা নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, “কোনো কর্মকর্তা বরখাস্ত না হওয়া পর্যন্ত তাকে দায়িত্ব দেওয়া আইনগতভাবে বাধাগ্রস্ত নয়।”
তবে সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তারা বলছেন, বিষয়টি শুধু আইনি নয়, নৈতিকতার সঙ্গেও জড়িত। অভিযোগ তদন্তাধীন থাকা অবস্থায় এমন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হলে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে শওকত আলী গণমাধ্যমে কথা বলতে রাজি হননি। তবে লিখিত জবাবে তিনি দাবি করেছেন, প্রকল্পের আর্থিক অনুমোদনের ক্ষেত্রে তিনি সরাসরি দায়ী নন; তিনি কেবল ক্রয়কারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
অন্যদিকে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের অনেকেই এ বিষয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে অনাগ্রহী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts