
নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় শুরু হয়েছে আরেকটি রমজান। চারদিকে ভাঙা ঘরবাড়ি, ধসে পড়া ভবন আর ধোঁয়ায় কালচে হয়ে থাকা রাস্তাঘাট—এই বাস্তবতার মাঝেই রোজা ও ইবাদতের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ফিলিস্তিনিরা। সামান্য কিছু রঙিন বাতি, হাতে বানানো ফানুস আর শিশুদের আঁকা ছবিই হয়ে উঠেছে তাদের আনন্দের অনুষঙ্গ।
টানা দুই বছরের শোক, আতঙ্ক ও ক্ষয়ক্ষতির পর এবারের রমজানে পরিস্থিতি তুলনামূলক কিছুটা শান্ত হলেও নিরাপত্তাহীনতা কাটেনি। এখনও আকাশে ড্রোনের শব্দ শোনা যায়, রাস্তায় রাস্তায় দেখা মেলে গোলার ক্ষতচিহ্ন। তবু জীবন থেমে নেই। ঐতিহাসিক ওমারি মসজিদে ভোরের নামাজে জড়ো হন মুসল্লিরা—শীত উপেক্ষা করে ভারী জ্যাকেট গায়েই তারা দাঁড়ান কাতারে।
গত দুই বছরে ইসরায়েলি হামলায় উপত্যকাটিতে প্রাণ হারিয়েছেন লক্ষাধিক মানুষ, আহত ও বাস্তুচ্যুত হয়েছেন আরও অসংখ্য। একটি নড়বড়ে যুদ্ধবিরতির মধ্যেই এবার রমজান শুরু হলেও হামলার আশঙ্কা পুরোপুরি কাটেনি। রমজানের প্রথম দিনেই দক্ষিণ খান ইউনিস এলাকায় গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন স্থানে গোলাবর্ষণের খবর মিললেও তাৎক্ষণিক হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি।
অবরুদ্ধ এই জনপদে খাদ্যসংকট প্রকট। বাজারে কিছু পণ্য মিললেও দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। অধিকাংশ পরিবার এখন ত্রাণের ওপর নির্ভরশীল। রান্নার গ্যাস যেন বিলাসবস্তু—দুই বছর ধরে বহু মানুষ খোলা আকাশের নিচে লাকড়ির আগুনে খাবার রান্না করছেন। তবুও সামান্য যা আছে, তা দিয়েই ইফতারের আয়োজন করার চেষ্টা চলছে।
দক্ষিণ গাজার আল-মাওয়াসি অঞ্চলসহ