নিউজ প্রবাসী ডেক্স:
গোপালগঞ্জের একটি এলাকায় টহলরত পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ঘটনাস্থলে পুলিশের সদস্যসংখ্যা কম থাকায় হামলাকারীরা তাদের ওপর আক্রমণ চালানোর সুযোগ পেয়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
রোববার (২৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে দুর্গাপূজা উদযাপন নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার একটি ইউনিয়নের খেয়াঘাট এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ এবং ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী মিছিল করার চেষ্টা করেছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এ সময় টহলরত পুলিশ সেখানে গেলে সদস্যসংখ্যা কম থাকায় তারা হামলার শিকার হন। এ ঘটনার ভিডিওও দেখা হয়েছে বলে জানান তিনি। তবে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সাজেকের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, বর্তমানে সেখানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। পার্বত্য অঞ্চলে একাধিক সংগঠন এবং এসব সংগঠনের বিভিন্ন অংশের মধ্যে অভ্যন্তরীণ বিরোধ রয়েছে। এর প্রভাবেই পাহাড়ের বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে জনসংহতি সমিতি ও ইউপিডিএফের পাশাপাশি একই ধরনের নামে আরও কয়েকটি সংগঠন রয়েছে। এসব সংগঠনের বিভক্ত অংশগুলোর মধ্যেও বিরোধ সক্রিয় রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিবছর পর্যটন মৌসুমকে কেন্দ্র করে পাহাড়ের কিছু এলাকা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করে বিভিন্ন সংগঠন। তাদের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব থেকে এ ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।
পাহাড়ের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীও ব্যবস্থা নিয়েছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজন হলে সেনাবাহিনী আরও পদক্ষেপ নেবে। পাশাপাশি পাহাড়ে শান্তি বজায় রাখতে রাজনৈতিক পর্যায়েও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এ ছাড়া পাহাড়ি এলাকার হেডম্যানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি। স্থানীয় সংসদ সদস্য ওদুদ ভূঁইয়াও এ বিষয়ে যোগাযোগ রাখছেন বলে উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।