
নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
সাভারে ঘটে যাওয়া দেশের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ শিল্প দুর্ঘটনা রানা প্লাজা ধস–এর বিচার প্রক্রিয়া এখনও সম্পূর্ণ হয়নি, ঘটনার ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও। তবে দীর্ঘসূত্রিতার মধ্যে হত্যা মামলায় কিছুটা গতি দেখা যাচ্ছে, যদিও ইমারত বিধি লঙ্ঘনের মামলাটি এখনও সাক্ষীর অভাবে কার্যত স্থবির।
হত্যা মামলায় মোট ৫৯৪ জন সাক্ষীর মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৪৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আশা, গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিশেষজ্ঞ সাক্ষ্য—বিশেষ করে প্রকৌশলী ও চিকিৎসকদের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হলে চলতি বছরের মধ্যেই রায় ঘোষণা সম্ভব হতে পারে।
অন্যদিকে, ইমারত নির্মাণ আইন লঙ্ঘনের মামলায় অভিযোগ গঠনের পরও সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করা যায়নি। আদালত থেকে বারবার সমন জারি করা হলেও সাক্ষীরা হাজির না হওয়ায় বিচার কার্যক্রম এগোচ্ছে না।
২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভারে ১০ তলা ভবন ধসে পড়ে প্রাণ হারান ১ হাজার ১৩৬ জন শ্রমিক, আহত হন আরও কয়েক হাজার মানুষ। এই ঘটনায় দায়ের হওয়া দুটি মূল মামলার মধ্যে হত্যা মামলায় কিছু অগ্রগতি এলেও অন্য মামলাটি এখনও অনিশ্চয়তায়।
বর্তমানে ভবনের মালিক সোহেল রানা কারাগারে থাকলেও অধিকাংশ আসামি জামিনে বা পলাতক রয়েছেন। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা; কেউ বলছেন বিচার বিলম্বে ন্যায়বিচার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, আবার কেউ দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন।