
নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
টানা সংঘাতের মধ্যে সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল ও বাণিজ্য পথ পুনর্দখলে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করেছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। চীন, ভারত ও থাইল্যান্ড সীমান্তঘেঁষা কাচিন, চিন ও কারেন রাজ্যে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা জোরদার করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিরল মৃত্তিকা খনিজসমৃদ্ধ এলাকা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য করিডরের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়াই এখন জান্তা সরকারের প্রধান লক্ষ্য। বিশেষ করে চীন সীমান্তবর্তী কাচিন রাজ্যে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ বিরল খনিজের বড় অংশ উত্তোলন হয়, যা বৈদ্যুতিক গাড়ি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
মিয়ানমারের নতুন সামরিক প্রধান ইয়ে উইন উ দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সীমান্ত অঞ্চলে আগ্রাসী তৎপরতা শুরু করেছেন বলে জানিয়েছে বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠী ও আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তারা ইতোমধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও সীমান্তপথের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করেছে।
অন্যদিকে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো বলছে, ব্যাপক বিমান হামলা ও সামরিক অভিযানের মধ্যেও তারা নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে প্রস্তুত। কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্ট আর্মি এবং কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়নসহ কয়েকটি গোষ্ঠী জান্তা সরকারের শান্তি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।
২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারে চলমান সংঘাতে বহু এলাকা বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সেনাবাহিনী কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে পুনরায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা জোরদার করেছে।