
নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস লিক থেকে হওয়া ভয়াবহ বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের সবাই মারা গেছেন। সর্বশেষ শুক্রবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান গৃহবধূ সায়মা (৩২)।
জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন ছিলেন সায়মা। শুক্রবার সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে তিনি মারা যান।
এর আগে গত দুই দিনে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সায়মার তিন সন্তান। বৃহস্পতিবার দুপুরে ১০ বছর বয়সী মুন্নি এবং সকালে ৭ বছর বয়সী মুন্নার মৃত্যু হয়। বুধবার সন্ধ্যায় মারা যায় তাদের আরেক সন্তান কথা। বিস্ফোরণের পরদিনই মারা যান পরিবারের কর্তা সবজি বিক্রেতা মো. কালাম, যার শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
গত রোববার সকালে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে দম্পতি ও তাদের তিন সন্তান গুরুতর দগ্ধ হন।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের প্রাথমিক ধারণা, তিতাস গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে গ্যাস জমে ঘরের ভেতরে বিস্ফোরণ ঘটে।
একই পরিবারের পাঁচজনের মর্মান্তিক এই মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।