নিুজ প্রবাসী ডেক্স :

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) টার্মিনালে নির্ধারিত কার্গোর খালাস শুরু করা সম্ভব না হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এর ফলে সারাদেশে আবাসিক, শিল্প ও বাণিজ্যিকসহ সব শ্রেণির গ্রাহক গ্যাসের স্বল্পচাপের সমস্যায় পড়তে পারেন বলে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।
মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানায়, এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ কম থাকবে। সাময়িক এ অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখও প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানটি।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, মহেশখালীর দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের দৈনিক গ্যাস সরবরাহ সক্ষমতা প্রায় ১ হাজার ১০০ এমএমসিএফডি। তবে কারিগরি ও আবহাওয়াজনিত কারণে সাধারণত ৮০০ থেকে ১ হাজার এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ করা হয়। বর্তমানে বৈরী আবহাওয়ার কারণে নির্ধারিত কার্গো খালাস বিলম্বিত হওয়ায় সরবরাহ প্রায় ৫০০ এমএমসিএফডিতে নেমে এসেছে।
এর ফলে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাস কম সরবরাহ হচ্ছে। এতে শুধু আবাসিক গ্রাহক নয়, বিদ্যুৎকেন্দ্র, সার কারখানা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ক্যাপটিভ বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সিএনজি স্টেশনেও গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়তে পারে।
দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদন কমে যাওয়ায় গত কয়েক বছরে আমদানি করা এলএনজির ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। ফলে এলএনজি সরবরাহে সামান্য বিঘ্ন ঘটলেও জাতীয় পাইপলাইনে চাপ দ্রুত কমে যায় এবং বিশেষ করে প্রান্তিক এলাকার গ্রাহকদের ভোগান্তি বেড়ে যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts