নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
রাজধানীর উত্তরা এলাকায় ছিনতাইকারী ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালিয়েও অপরাধ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে র্যাব। বাহিনীটির দাবি, গ্রেপ্তারের পরও বিভিন্ন বস্তি এলাকা থেকে নতুন অপরাধীরা দ্রুত ওই শূন্যস্থান পূরণ করছে।
মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নেয়ামুল হালিম চৌধুরী বলেন, বিমানবন্দর থেকে গাজীপুর পর্যন্ত সড়কে ছিনতাই ও মাদক কারবার দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। তবে আশপাশের বস্তি এলাকায় অপরাধীদের অবস্থানের কারণে গ্রেপ্তারের পরও নতুন সদস্য যুক্ত হচ্ছে।
তিনি জানান, সম্প্রতি উত্তরা বিভাগীয় পুলিশ দুই দিনের অভিযানে প্রায় ১৮০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়া গত সপ্তাহে র্যাব টঙ্গী রেলস্টেশন ও মাজার বস্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৭ জনকে আটক করে। চলতি বছরে উত্তরা ও আশপাশের এলাকা থেকে ছিনতাইকারী, চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিসহ প্রায় ১ হাজার ২০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ছিনতাইকারীদের সহযোগীদের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে র্যাব-১ অধিনায়ক বলেন, অপরাধীদের আশ্রয় ও সহায়তাকারীদের সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে নাম প্রকাশ না করলেও তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে গাজীপুরের শ্রীপুরে দুই শিশুসন্তানের সামনে স্ত্রীকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার স্বামী ছায়েদুল ইসলাম সম্পর্কেও তথ্য তুলে ধরা হয়।
র্যাব জানায়, রোববার রাতে পারিবারিক কলহের একপর্যায়ে স্ত্রী নাসিমা আক্তারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করেন ছায়েদুল। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং নেশার টাকার জন্য স্ত্রীর কাছে অর্থ দাবি করতেন। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
র্যাবের ভাষ্য, হত্যাকাণ্ডের সময় দম্পতির দুই শিশু সন্তান ঘরেই উপস্থিত ছিল এবং তাদের সামনেই এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।