নিউজ প্রবাসীি ডেক্স :
বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানিতে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি হয়েছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ৭ কোটি ৬৬ লাখ ডলারের ওষুধ রপ্তানি হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ ২৩ কোটি ৮৫ লাখ ডলারের ওষুধ রপ্তানি করেছে। এর আগে ২০১০-১১ অর্থবছরে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৪ কোটি ৪২ লাখ ডলার। অর্থাৎ ১৬ বছরে ওষুধ রপ্তানি বেড়েছে প্রায় সাড়ে পাঁচ গুণ।
চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে সেপ্টেম্বরে। এ মাসে প্রায় ৩ কোটি ডলারের ওষুধ রপ্তানি হয়েছে, যেখানে গত বছরের সেপ্টেম্বরে রপ্তানি হয়েছিল ১ কোটি ৮১ লাখ ডলারের।
ওষুধশিল্পের উদ্যোক্তারা এই প্রবৃদ্ধিতে আশাবাদী। বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতির সভাপতি আবদুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, আগামী অর্থবছরের মধ্যে ওষুধ রপ্তানি ৫০ কোটি ডলারে নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।
তবে শিল্পটির বড় চ্যালেঞ্জ এখনো ওষুধের কাঁচামাল বা এপিআই। দেশে ব্যবহৃত ওষুধের প্রায় ৯৮ শতাংশ স্থানীয়ভাবে তৈরি হলেও এপিআইয়ের প্রায় ৯০ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। ফলে স্থানীয়ভাবে কাঁচামাল উৎপাদন বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশের ওষুধ বর্তমানে ১৫০টির বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। উদ্যোক্তাদের মতে, সরকারি নীতি সহায়তা ও স্থানীয়ভাবে এপিআই উৎপাদন বাড়ানো গেলে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানির আরও বড় সম্ভাবনা রয়েছে।