নিউজ প্রবাসী ডেক্স :

সাভারের আশুলিয়ায় একটি তালাবদ্ধ ভাড়া বাসা থেকে স্বামী, স্ত্রী ও তাদের নবজাতক সন্তানের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
শুক্রবার গভীর রাতে আশুলিয়ার মধ্য জামগড়া এলাকার হাজী হযরত আলীর চারতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, ওই কক্ষটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ ছিল। প্রতিবেশীরা দীর্ঘ সময় ধরে ঘরটির দরজা-জানালা বন্ধ দেখতে পান। পরে শুক্রবার কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তালাবদ্ধ কক্ষের ভেতর থেকে স্বামী-স্ত্রী ও নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ বলছে, মরদেহগুলোর অবস্থা দেখে প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কে বা কারা এবং কী কারণে এই তিনজনকে হত্যা করেছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

About Author
newsprobasi@gmail.com
View All Articles
Check latest article from this author !
মাদকের বিরুদ্ধে ফুটবলের লড়াই, হুদা জগমোহনপুরে তরিকুল ইসলাম স্মৃতি টুর্নামেন্ট
জনগণের অধিকার নিয়ে ‘ছিনিমিনি’ হলে কাউকে ছাড় নয়: শফিকুর ঢাকা প্রতিনিধি: জনগণের অধিকার হরণ করা হলে দায়ীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের সংকটসহ জনদুর্ভোগের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থের প্রশ্নে তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। শনিবার সকালে রাজধানীর শাপলা চত্বরে ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ শুরুর আগে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। শফিকুর রহমান বলেন, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়, দেশের ১৮ কোটি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তারা মাঠে নেমেছেন। জনগণের অধিকার নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেললে জনগণও তার জবাব দেবে। জনদুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেক জায়গায় গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের সংকট থাকলেও গ্রাহকদের নিয়মিত বিল দিতে হচ্ছে। একই সঙ্গে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথাও জানান তিনি। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ডের বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সারের সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দলীয়করণ বন্ধসহ কয়েকটি দাবিতে এই লং মার্চের আয়োজন করেছে জামায়াত জোট। সকাল ৭টায় কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে মতিঝিলে সমাবেশ শুরু হয়। পরে সকাল সোয়া ৮টার দিকে বিশাল গাড়িবহর নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন নেতা-কর্মীরা। পথে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল ও মীরসরাইয়ে পথসভা করার কথা রয়েছে। চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে জনসভার মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা। সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, বাধা-বিপত্তি এলেও লং মার্চ চট্টগ্রামে পৌঁছাবে। তবে কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হলে ঘোষিত ছয় দফা আন্দোলন এক দফার আন্দোলনে রূপ নিতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যর্থতার অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নসহ জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেনি। এলডিপির প্রেসিডেন্ট অলি আহমদ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকও সমাবেশে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন। এর আগে গত ৬ আগস্ট চারটি বিভাগীয় শহর অভিমুখে ধারাবাহিক লং মার্চ ও ঢাকায় মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল জোটটি। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর, ১০ অক্টোবর খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর সিলেট অভিমুখে লং মার্চ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। আগামী ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটার কথা।

জনগণের অধিকার নিয়ে ‘ছিনিমিনি’ হলে কাউকে ছাড় নয়: শফিকুর ঢাকা প্রতিনিধি: জনগণের অধিকার হরণ করা হলে দায়ীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের সংকটসহ জনদুর্ভোগের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থের প্রশ্নে তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। শনিবার সকালে রাজধানীর শাপলা চত্বরে ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ শুরুর আগে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। শফিকুর রহমান বলেন, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়, দেশের ১৮ কোটি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তারা মাঠে নেমেছেন। জনগণের অধিকার নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেললে জনগণও তার জবাব দেবে। জনদুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেক জায়গায় গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের সংকট থাকলেও গ্রাহকদের নিয়মিত বিল দিতে হচ্ছে। একই সঙ্গে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথাও জানান তিনি। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ডের বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সারের সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দলীয়করণ বন্ধসহ কয়েকটি দাবিতে এই লং মার্চের আয়োজন করেছে জামায়াত জোট। সকাল ৭টায় কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে মতিঝিলে সমাবেশ শুরু হয়। পরে সকাল সোয়া ৮টার দিকে বিশাল গাড়িবহর নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন নেতা-কর্মীরা। পথে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল ও মীরসরাইয়ে পথসভা করার কথা রয়েছে। চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে জনসভার মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা। সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, বাধা-বিপত্তি এলেও লং মার্চ চট্টগ্রামে পৌঁছাবে। তবে কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হলে ঘোষিত ছয় দফা আন্দোলন এক দফার আন্দোলনে রূপ নিতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যর্থতার অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নসহ জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেনি। এলডিপির প্রেসিডেন্ট অলি আহমদ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকও সমাবেশে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন। এর আগে গত ৬ আগস্ট চারটি বিভাগীয় শহর অভিমুখে ধারাবাহিক লং মার্চ ও ঢাকায় মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল জোটটি। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর, ১০ অক্টোবর খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর সিলেট অভিমুখে লং মার্চ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। আগামী ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটার কথা।

September 4, 2026
কক্সবাজারে অনলাইন প্রতারণার অভিযোগ: ৬ জন গ্রেপ্তারের পর শতাধিক বিদেশি নাগরিকের খোঁজে পুলিশ
জনগণের অধিকার নিয়ে ‘ছিনিমিনি’ হলে কাউকে ছাড় নয়: শফিকুর ঢাকা প্রতিনিধি: জনগণের অধিকার হরণ করা হলে দায়ীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের সংকটসহ জনদুর্ভোগের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থের প্রশ্নে তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। শনিবার সকালে রাজধানীর শাপলা চত্বরে ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ শুরুর আগে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। শফিকুর রহমান বলেন, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়, দেশের ১৮ কোটি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তারা মাঠে নেমেছেন। জনগণের অধিকার নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেললে জনগণও তার জবাব দেবে। জনদুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেক জায়গায় গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের সংকট থাকলেও গ্রাহকদের নিয়মিত বিল দিতে হচ্ছে। একই সঙ্গে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথাও জানান তিনি। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ডের বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সারের সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দলীয়করণ বন্ধসহ কয়েকটি দাবিতে এই লং মার্চের আয়োজন করেছে জামায়াত জোট। সকাল ৭টায় কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে মতিঝিলে সমাবেশ শুরু হয়। পরে সকাল সোয়া ৮টার দিকে বিশাল গাড়িবহর নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন নেতা-কর্মীরা। পথে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল ও মীরসরাইয়ে পথসভা করার কথা রয়েছে। চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে জনসভার মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা। সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, বাধা-বিপত্তি এলেও লং মার্চ চট্টগ্রামে পৌঁছাবে। তবে কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হলে ঘোষিত ছয় দফা আন্দোলন এক দফার আন্দোলনে রূপ নিতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যর্থতার অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নসহ জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেনি। এলডিপির প্রেসিডেন্ট অলি আহমদ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকও সমাবেশে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন। এর আগে গত ৬ আগস্ট চারটি বিভাগীয় শহর অভিমুখে ধারাবাহিক লং মার্চ ও ঢাকায় মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল জোটটি। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর, ১০ অক্টোবর খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর সিলেট অভিমুখে লং মার্চ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। আগামী ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটার কথা।
Previous Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts