নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
ফুটবল বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়া মানেই উত্তেজনা, ইতিহাস আর বিতর্কের নতুন অধ্যায়। ২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় আবারও দেখা হচ্ছে দুই দলের। তবে এই ম্যাচ শুধু ফাইনালে ওঠার লড়াই নয়, বরং কয়েক দশকের প্রতিদ্বন্দ্বিতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
দুই দেশের বৈরিতার শুরু ধরা হয় ১৯৬৬ বিশ্বকাপে। কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক আন্তোনিও রাতিনকে বিতর্কিতভাবে মাঠ থেকে বহিষ্কার করা হলে উত্তেজনা চরমে ওঠে। এরপর ১৯৮২ সালের ফকল্যান্ড যুদ্ধ দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্ককে আরও তিক্ত করে তোলে।
১৯৮৬ বিশ্বকাপে দিয়েগো মারাদোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল এবং ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ ফুটবল ইতিহাসে অমর হয়ে আছে। আর্জেন্টিনার কাছে সেটি ছিল প্রতিশোধের প্রতীক, আর ইংল্যান্ডের কাছে চিরকালীন বিতর্ক।
১৯৯৮ বিশ্বকাপে ডেভিড বেকহ্যামের লাল কার্ড এবং আর্জেন্টিনার টাইব্রেকারে জয় এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আরও উসকে দেয়। যদিও ২০০২ বিশ্বকাপে বেকহ্যামের একমাত্র গোলে জয় পেয়ে কিছুটা হিসাব মিটিয়েছিল ইংল্যান্ড।
এবারের সেমিফাইনালের আগে দুই দলের খেলোয়াড় ও কোচরা অতীতের বিতর্ককে গুরুত্ব দিতে চান না। আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি বলেছেন, এটি কেবল একটি ফুটবল ম্যাচ এবং নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা। তবে দুই দেশের দীর্ঘ ইতিহাস ও সমর্থকদের আবেগ বিবেচনায় ম্যাচটি ঘিরে উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে রয়েছে।
বিশ্বকাপের সবচেয়ে আলোচিত এই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এবার নতুন কোনো ইতিহাস বা বিতর্কের জন্ম হয় কি না, সেটিই এখন ফুটবলপ্রেমীদের সবচেয়ে বড় কৌতূহল।