আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে নতুন করে সামরিক হামলা চালালে উপসাগরীয় অঞ্চলের সাতটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা আঘাত হানার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে রয়েছে তেল স্থাপনা, সমুদ্রতলের যোগাযোগ কেবল, তথ্যকেন্দ্র এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট অবকাঠামো। ইরানের এমন অবস্থানে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসিন রেজায়ি সতর্ক করে জানিয়েছেন, দেশটির অর্থনৈতিক অবকাঠামোয় হামলা চালানো হলে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও পাল্টা আক্রমণের ঝুঁকিতে পড়বে।
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের উপদেষ্টা মেহদি মোহাম্মদিও দাবি করেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানে নতুন হামলার বিষয়ে নীতিগতভাবে একমত হয়েছেন। তাঁর মতে, সম্ভাব্য সংঘাত ইরানের অস্তিত্বের জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে। সে কারণে এবার যুদ্ধের সময়সীমা ও বিস্তৃতির ক্ষেত্রে তেহরান প্রচলিত সীমারেখা মেনে চলবে না।
সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি নিয়ে জল্পনা
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে নতুন করে যৌথ হামলার সম্ভাবনা নিয়ে সামরিক পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা, তেল অবকাঠামো ও পারমাণবিক কেন্দ্র থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ইসরায়েলের কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান ইরানের সীমান্তসং