নিজস্ব প্রতিবেদক:
বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী গুমের ঘটনায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে দ্বিতীয় দফায় অপহরণ সংঘটিত হয়েছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন।
বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি মো. আমিনুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বিমান বাহিনীর উইং কমান্ডার সাইফুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে। আগামী রোববার এ বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের আদেশ পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল রাতে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে ইলিয়াস আলী ও তার ব্যক্তিগত গাড়িচালক নিখোঁজ হন। এরপর থেকে তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। সে সময় র্যাবের গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত ছিলেন সাইফুর রহমান এবং একই শাখার পরিচালক ছিলেন তৎকালীন লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিয়াউল আহসান।
প্রধান কৌঁসুলি বলেন, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও প্রাথমিক তদন্তে সাইফুর রহমানের সরাসরি সম্পৃক্ততার তথ্য মিলেছে। এছাড়া অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল শেখ মামুন খালেদসহ সংশ্লিষ্ট অন্যদের ভূমিকাও তদন্তাধীন রয়েছে।
এর আগে, মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার ইমরুল কায়েসের জবানবন্দিতে ইলিয়াস আলীর গুম ও হত্যার ঘটনায় সাইফুর রহমানের নাম উঠে আসে। পরে গত ২৬ জুলাই তাকে নিজ বাসা থেকে আটক করে সামরিক কর্তৃপক্ষ বিশেষ হেফাজতে নেয়।
প্রসিকিউশনের ভাষ্য, তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং নতুন তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।