নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাইয়ের শিল্পাঞ্চলে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে বিপাকে পড়েছে কারখানাগুলো। গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় অনেক কারখানায় স্বাভাবিকভাবে মেশিন চালানো যাচ্ছে না। এর সঙ্গে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিংয়ে কমছে উৎপাদন, বাড়ছে বিকল্প জ্বালানির খরচ।
শিল্প পুলিশ বলছে, সংকটের কারণে এ অঞ্চলের অনেক কারখানায় উৎপাদন ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। কোথাও ডিজেলের খরচ তিন গুণ হয়েছে, আবার কোথাও সৌরবিদ্যুৎ ও ব্যাটারির সাহায্যে উৎপাদন চালু রাখতে হচ্ছে।
আশুলিয়ার একটি ওয়াশিং ও ডাইং কারখানায় প্রতিদিন ৪৫ থেকে ৫০ হাজার পিস উৎপাদন হলেও গ্যাস সংকটে তা নেমে এসেছে ২৫ থেকে ৩০ হাজারে। প্রয়োজনীয় গ্যাসের চাপ যেখানে ১০ পিএসআই, সেখানে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১ থেকে ২ পিএসআই।
বিদ্যুৎ সংকটও পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ বলছে, সাভার-আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে প্রতিদিন প্রায় ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি রয়েছে। ফলে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে।
গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে শুধু উৎপাদন নয়, সময়মতো রপ্তানি পণ্য জাহাজীকরণ নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। উদ্যোক্তাদের আশঙ্কা, দীর্ঘস্থায়ী সংকট হলে বিদেশি ক্রেতাদের কাছে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের নির্ধারিত সময়ের পণ্য সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
তবে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে এবং আগামী এক সপ্তাহে সরবরাহ আরও স্বাভাবিক হওয়ার আশা রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts