
নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণের সুদহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন হাই কোর্ট। দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই সুদহার কমানো হবে না কেন— তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।
সোমবার বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের বেঞ্চ এক রিটের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। রিটে গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণ ব্যবস্থাকে ‘শোষণমূলক’ দাবি করা হয়।
আবেদনে বলা হয়, সাধারণ ক্ষুদ্রঋণে প্রায় ২০ শতাংশ সুদ নেওয়া হচ্ছে, যা দরিদ্র ও ভূমিহীন মানুষের জন্য বড় চাপ তৈরি করছে। একই সঙ্গে ঋণগ্রহীতারা দীর্ঘদিন ঋণ শোধ করেও দায়মুক্তি পান না বলেও অভিযোগ তোলা হয়।
রিটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থসচিব, গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ব্যাংকটির সাবেক এমডি অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস-কে বিবাদী করা হয়েছে।
আদালতে শুনানিতে ইউনূসের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, কর ফাঁকি ও গ্রামীণ ব্যাংকের নীতিনির্ধারণে প্রভাব রাখার অভিযোগও উপস্থাপন করা হয়। তবে এ বিষয়ে এখনো আদালত কোনো চূড়ান্ত মত দেননি।
১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক দরিদ্র জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারীদের জামানতবিহীন ক্ষুদ্রঋণ প্রদানের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করে। ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি ও মুহাম্মদ ইউনূস যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার অর্জন করেন।