নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
ব্রিকস সম্মেলনকে ঘিরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ভারত সফরের আগে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে বেইজিং। চীনের রাষ্ট্রদূত সু ফেইহুং জানিয়েছেন, শি জিনপিং ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বৈঠকে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি দুই দেশের মতপার্থক্যও যথাযথভাবে সামলানোর চেষ্টা করা হবে।
শনিবার ভারতের নয়াদিল্লিতে শুরু হতে যাওয়া ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারত সফর করছেন শি। সফরকালে মোদীর সঙ্গে তার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। চীনের রাষ্ট্রদূত শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, দুই দেশের পক্ষ থেকেই বৈঠকের আয়োজন করা হচ্ছে।
সু ফেইহুং বলেন, কাজান ও তিয়ানজিনে দুই নেতার বৈঠকের পর এটি হবে টানা তৃতীয় বছরে তাদের সাক্ষাৎ। চীন ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো, সহযোগিতা জোরদার এবং মতপার্থক্য যথাযথভাবে মোকাবিলায় কাজ করতে চায় বলেও জানান তিনি।
২০২০ সালের গালওয়ান উপত্যকার সংঘর্ষের পর ভারত-চীন সম্পর্কে বড় ধরনের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। ওই ঘটনার পর এবারই প্রথম ভারত সফরে যাচ্ছেন শি জিনপিং। পরবর্তী সময়ে রাশিয়ার কাজান ও চীনের তিয়ানজিনে দুই নেতার বৈঠকের মধ্য দিয়ে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ দেখা যায়।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার তথ্য অনুযায়ী, শি ইতোমধ্যে বেইজিং ছেড়েছেন। ভারতীয় সময় দুপুর সোয়া ১২টার দিকে তার নয়াদিল্লিতে পৌঁছানোর কথা। সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির পলিটিক্যাল ব্যুরোর স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ছাই ছি এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই।
বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় মোদী ও শির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। শনিবার ও রোববার নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিংও দুই নেতার আসন্ন বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, কাজান ও তিয়ানজিনের বৈঠকের পর টানা তৃতীয় বছরের মতো শি ও মোদী বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন।