নিউজ প্রবাসী ডেক্স :

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার হওয়া অর্ধগলিত এক মরদেহকে গাজীপুরের বহুল আলোচিত পাঁচ হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফোরকান মোল্লার বলে সন্দেহ করছে পুলিশ। তবে ডিএনএ পরীক্ষার পরই পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
শনিবার দুপুরে পদ্মা সেতুর কাছাকাছি ঘোড়দৌড় এলাকায় নদীতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। পরে বিষয়টি গাজীপুর জেলা পুলিশকে জানানো হয়।
পুলিশের ধারণা, পাঁচ হত্যাকাণ্ডের পর আত্মগোপনে থাকা ফোরকান মোল্লাই পদ্মা সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। এর আগে সেতুর মাঝামাঝি স্থান থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজে একই সময় সাদা প্যান্ট ও কালো শার্ট পরা এক ব্যক্তিকে নদীতে ঝাঁপ দিতে দেখা যায়।
গাজীপুর পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, নিহতের স্বজনরা উদ্ধার হওয়া মরদেহটি ফোরকানের বলে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করেছেন। তবে মরদেহ বিকৃত হয়ে যাওয়ায় চূড়ান্ত নিশ্চিত হতে ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে।
গত ৯ মে গাজীপুরের কাপাসিয়ার রাউৎকোনা গ্রাম থেকে ফোরকানের স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, পারিবারিক কলহের জেরে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়ে থাকতে পারে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার রাতে খাবারের সঙ্গে অচেতনকারী ওষুধ মিশিয়ে স্ত্রী, সন্তান ও শ্যালককে খাওয়ানোর পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের হত্যা করা হয়। এরপর থেকেই ফোরকান পলাতক ছিলেন।
এ ঘটনায় নিহত শারমিনের বাবা কাপাসিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ফোরকানকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts