
নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
প্রতারণার এক মামলায় ঢাকার আদালতে আত্মসমর্পণ করা এক নারী আসামিকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, প্রকৃত আসামির বদলে তার ছোট বোন আদালতে হাজির হয়ে কারাগারে গেছেন। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর আদালত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে উত্তরা পূর্ব থানার একটি প্রতারণা মামলায়। মামলার দুই নারী আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে রিমান্ড শুনানির সময় বাদীপক্ষ দাবি করে, কাঠগড়ায় থাকা নারী প্রকৃত আসামি নন।
বাদীপক্ষের দাবি, শারমিন আক্তার একা নামে যিনি মামলার আসামি, তার বদলে ছোট বোন আদালতে হাজির হয়েছেন। আদালত তখন ওই নারীর জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্টের ছবির সঙ্গে উপস্থিত নারীর চেহারা মিলিয়ে অসঙ্গতি দেখতে পান।
এরপর বিচারক তদন্ত কর্মকর্তাকে বিষয়টি যাচাই করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ঘটনার পর আসামিপক্ষের আইনজীবী আদালতে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে মামলা থেকে সরে দাঁড়ানোর আবেদন করেন।
মামলার বাদী আজিজুল আলম বলেন, তিনি নিশ্চিত যে আদালতে হাজির হওয়া নারী প্রকৃত আসামি নন। তার ভাষ্য, আদালতের সঙ্গে প্রতারণা করতেই এই কৌশল নেওয়া হয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কারাগারে থাকা ওই নারীকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট হবে। আদালতে এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
মামলাটিতে অভিযোগ করা হয়েছে, একটি চক্র ‘প্রাচীন পিলার’ ব্যবসার প্রলোভন দেখিয়ে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা ও জমি হাতিয়ে নেয়। ভয়ভীতি, কুফরি কালাম ও নানা প্রতারণার মাধ্যমে চক্রটি ভুক্তভোগীকে নিয়ন্ত্রণে এনে অর্থ আত্মসাৎ করেছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।