নিউজ প্রবাসী ডেক্স :

কুমিল্লায় নিখোঁজ হওয়ার পর উদ্ধার হওয়া ইসলামী ছাত্রশিবিরের এক কেন্দ্রীয় নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক গর্ভপাত ঘটানোর মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। একই সঙ্গে তার অপহরণের দাবিও নাকচ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
শনিবার কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জিসান মিয়া প্রধানকে কেউ অপহরণ করেনি। বিয়ে এড়ানোর উদ্দেশ্যে তিনি নিজেই আত্মগোপনে ছিলেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েক মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হলে তাকে গর্ভপাতের জন্য চাপ দেওয়া হয় এবং ওষুধের মাধ্যমে ভ্রূণ নষ্ট করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরে ওই নারী বিয়ের দাবি জানালে জিসান সম্মতি দিলেও নির্ধারিত সময়ের আগে আত্মগোপনে চলে যান। এরপর তাকে ‘নিখোঁজ’ দাবি করে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
শুক্রবার রাতে কুমিল্লার লাকসাম এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় মোট চারজনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে জিসানসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে অপহরণের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। বরং মামলার অভিযোগ ও বিয়ে এড়ানোর বিষয়টি সামনে আসার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন বলে বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণে প্রতীয়মান হয়েছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts