নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় নতুন করে জমি নিয়ে বিরোধ এবং দাস-ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের মধ্যে সামাজিক দূরত্বের বিষয়টি তদন্তে গুরুত্ব দিচ্ছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ জানান, গ্রেপ্তার দুই আসামির আদালতে দেওয়া জবানবন্দির ভিত্তিতে বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ পরীক্ষা এবং ডোপ টেস্টের জন্য আদালতে আবেদন করা হবে বলেও জানান তিনি।
পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, গণপতি চক্রবর্তী যে জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ করেছিলেন, সেটি আসামিদের পূর্বপুরুষদের জমির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিল বলে জবানবন্দিতে দাবি করা হয়েছে। জমি বিক্রির অর্থ নিয়ে পরিবারের শরিকদের মধ্যে অসন্তোষ বা ক্ষোভ ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ ছাড়া মাছুয়াপাড়া এলাকায় দাস সম্প্রদায়ের সংখ্যাধিক্য এবং নিহত গণপতি চক্রবর্তীর ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের হওয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে কোনো সামাজিক দূরত্ব বা ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় এনেছে পুলিশ।
গত শনিবার রাতে গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা, মেয়ে আগামী ও ছেলে প্রীয়মের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই তরুণ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ময়নাতদন্তে চারজনের মৃত্যুর কারণ শ্বাসরোধ বলে উঠে এসেছে। মামলাটির তদন্ত এখন রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ করছে।