
নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
সরকার গঠনের কয়েক মাস পর বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমে আগের মতো তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না বলে দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা মনে করছেন। তাদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন পর রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ায় সরকারের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে অধিকাংশ শীর্ষ নেতা ব্যস্ত থাকায় দলীয় কার্যক্রমে কিছুটা স্থবিরতা তৈরি হয়েছে।
রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এখন আগের মতো নেতাকর্মীদের ভিড় দেখা যায় না। তবে তৃণমূলে বিভিন্ন স্থানে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ব্যানারে নতুন কার্যালয় খোলা এবং সীমিত পরিসরে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার তথ্যও পাওয়া যাচ্ছে।
দলীয় সূত্রগুলোর মতে, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বর্তমানে সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। ফলে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম, নতুন কমিটি গঠন এবং জাতীয় কাউন্সিলের মতো বিষয়গুলো আপাতত ধীরগতিতে এগোচ্ছে।
বিএনপির একাধিক নেতা মনে করেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং জাতীয় কাউন্সিলকে সামনে রেখে শিগগিরই সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামের পর ক্ষমতায় আসায় নেতাকর্মীদের মধ্যে কিছুটা ক্লান্তি থাকলেও নতুন কর্মসূচির মাধ্যমে সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে তাদের আশা।
এদিকে বিভিন্ন জেলার নেতারা জানিয়েছেন, অনেক জায়গায় জেলা, উপজেলা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী সীমিত আকারে দলীয় কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। তবে সংগঠনকে আরও গতিশীল করতে দ্রুত নতুন কমিটি ও কাউন্সিলের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি উঠেছে তৃণমূল থেকেও।
দলটির দায়িত্বশীল নেতাদের ভাষ্য, সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণের পাশাপাশি খুব শিগগিরই সাংগঠনিক পুনর্গঠনের দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষে বিএনপির জাতীয় কাউন্সিল আয়োজন এবং নতুন নেতৃত্ব গঠনের বিষয়েও ইতিবাচক আলোচনা চলছে।