নিউজ প্রবাসী ডেক্স :
সর্বজনীন পেনশন স্কিমে বিনিয়োগের বিপরীতে গ্রাহকদের মুনাফার হার সামান্য বাড়ানোর পাশাপাশি নমিনি বা স্বামী-স্ত্রীর পেনশন পাওয়ার বয়সসীমাও বাড়িয়েছে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিনিয়োগ করা অর্থের বিপরীতে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৬৮ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১১ দশমিক ৭২ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে পেনশনারের মৃত্যুর পর নমিনি পেনশন পাওয়ার সর্বোচ্চ বয়স ৭৫ বছর থেকে বাড়িয়ে ৮০ বছর করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার অর্থ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের পরিচালনা পর্ষদের চতুর্থ সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
সভায় জানানো হয়, চালুর তিন বছরে সর্বজনীন পেনশনের চারটি কর্মসূচিতে ৩ লাখ ৭৯ হাজার ৯২০ জন নিবন্ধিত হয়েছেন। এসব গ্রাহকের মোট আমানতের পরিমাণ ২৮৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা।
পেনশন ব্যবস্থাকে আরও অংশগ্রহণমূলক করতে নমিনির বয়সসীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ পেনশনার আজীবন পেনশন পাবেন এবং তার নমিনি বা স্পাউস সর্বোচ্চ ৮০ বছর বয়স পর্যন্ত পেনশন পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
এদিকে সর্বজনীন পেনশনের চারটি কর্মসূচি—প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতার শরিয়াহভিত্তিক সংস্করণ চালুর বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
এ ছাড়া অন্তত পাঁচ বছর চাঁদা দেওয়ার পর বিশেষ পরিস্থিতিতে, যেমন শারীরিক বা আর্থিক অক্ষমতার ক্ষেত্রে নির্ধারিত শর্তে অর্থ উত্তোলনের সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে গ্রাহক নিবন্ধন বাড়াতে কমিশন ১৫ টাকা থেকে ২৫ টাকা করার প্রস্তাবও বিবেচনায় এসেছে।
সর্বজনীন পেনশনের আওতায় স্বাস্থ্যবীমা চালুর বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়। তবে এর সম্ভাব্য আর্থিক ঝুঁকি, ক্ষতির পরিমাণ এবং বাস্তবায়নের মডেল নিয়ে আরও বিশ্লেষণের সিদ্ধান্ত হয়ে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts