দেশের খবর
1 min read
41

সৌদির আগুনে নিভে যাওয়া সাত প্রবাসীর শেষ বিদায়ে আত্রাইজুড়ে শোক নওগাঁ প্রতিনিধি সৌদি আরবের রিয়াদে একটি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো নওগাঁর আত্রাই উপজেলার সাত প্রবাসীর মরদেহ দেশে ফেরার পর একসঙ্গে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাতটি খাটিয়া পাশাপাশি রেখে স্বজনদের শেষ বিদায় জানানোর দৃশ্য দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন উপস্থিত শত শত মানুষ। শুক্রবার সকাল ১০টায় আত্রাই উপজেলা সদরের মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল সরকারি কলেজ মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ নিহতদের স্বজন ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। নিহতদের মধ্যে গণ্ডগোহালী গ্রামের দুই সহোদর মোহন আলী ও সুমন আলীর মৃত্যুতে সবচেয়ে বেশি শোক নেমে এসেছে তাদের পরিবারে। দুই ছেলেকে হারিয়ে বাবা গুফফার প্রামাণিক কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ধারদেনা করে সন্তানদের বিদেশে পাঠিয়েছিলেন। এখন সন্তানহারা হওয়ার পাশাপাশি সেই দেনা কীভাবে পরিশোধ করবেন, তা নিয়েও তিনি দিশেহারা। জানাজা শেষে মরদেহগুলো নিজ নিজ গ্রামের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়। গণ্ডগোহালী গ্রামের চার প্রবাসীর মরদেহ বিকালে পুনরায় জানাজা শেষে একই কবরস্থানে পাশাপাশি খোঁড়া কবরে দাফন করা হয়। গত ৯ আগস্ট রিয়াদের একটি সোফা তৈরির কারখানায় আগুন লাগলে ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়। সৌদি কর্তৃপক্ষের ফিঙ্গারপ্রিন্ট পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত নয়জনের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে। তাদের মধ্যে সাতজন নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বাসিন্দা। নিহত সাতজন হলেন—গণ্ডগোহালী গ্রামের মোহন আলী, তার ভাই সুমন আলী, রুবেল প্রামাণিক ও কলিমউদ্দিন ইসলাম, উদনপৈ গ্রামের মো. ফরিদ, ডুবাই গ্রামের সোহেল রানা এবং পারকাসুন্দা গ্রামের আব্দুল জলিল সরকার। পরিচয় নিশ্চিত হওয়া নয়জনের মরদেহ বৃহস্পতিবার বিকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। বাকি সাতজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত না হওয়ায় তাদের মরদেহ দেশে ফেরানোর সময় নির্ধারণ করা যায়নি। নিহতদের স্বজনরা দ্রুত মরদেহ শনাক্ত করে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য যথাযথ ক্ষতিপূরণের দাবিও জানিয়েছেন তারা। নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, পরিচয় নিশ্চিত না হওয়া বাকি মরদেহগুলোর ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। প্রক্রিয়া শেষ হলে সেগুলো দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিহতদের পরিবার পুনর্বাসনেও প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

August 28, 2026
0
সৌদির আগুনে নিভে যাওয়া সাত প্রবাসীর শেষ বিদায়ে আত্রাইজুড়ে শোক নওগাঁ প্রতিনিধি সৌদি আরবের রিয়াদে একটি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো নওগাঁর আত্রাই উপজেলার সাত প্রবাসীর মরদেহ দেশে ফেরার পর একসঙ্গে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাতটি খাটিয়া পাশাপাশি রেখে স্বজনদের শেষ বিদায় জানানোর দৃশ্য দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন উপস্থিত শত শত মানুষ। শুক্রবার সকাল ১০টায় আত্রাই উপজেলা সদরের মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল সরকারি কলেজ মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ নিহতদের স্বজন ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। নিহতদের মধ্যে গণ্ডগোহালী গ্রামের দুই সহোদর মোহন আলী ও সুমন আলীর মৃত্যুতে সবচেয়ে বেশি শোক নেমে এসেছে তাদের পরিবারে। দুই ছেলেকে হারিয়ে বাবা গুফফার প্রামাণিক কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ধারদেনা করে সন্তানদের বিদেশে পাঠিয়েছিলেন। এখন সন্তানহারা হওয়ার পাশাপাশি সেই দেনা কীভাবে পরিশোধ করবেন, তা নিয়েও তিনি দিশেহারা। জানাজা শেষে মরদেহগুলো নিজ নিজ গ্রামের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়। গণ্ডগোহালী গ্রামের চার প্রবাসীর মরদেহ বিকালে পুনরায় জানাজা শেষে একই কবরস্থানে পাশাপাশি খোঁড়া কবরে দাফন করা হয়। গত ৯ আগস্ট রিয়াদের একটি সোফা তৈরির কারখানায় আগুন লাগলে ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়। সৌদি কর্তৃপক্ষের ফিঙ্গারপ্রিন্ট পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত নয়জনের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে। তাদের মধ্যে সাতজন নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বাসিন্দা। নিহত সাতজন হলেন—গণ্ডগোহালী গ্রামের মোহন আলী, তার ভাই সুমন আলী, রুবেল প্রামাণিক ও কলিমউদ্দিন ইসলাম, উদনপৈ গ্রামের মো. ফরিদ, ডুবাই গ্রামের সোহেল রানা এবং পারকাসুন্দা গ্রামের আব্দুল জলিল সরকার। পরিচয় নিশ্চিত হওয়া নয়জনের মরদেহ বৃহস্পতিবার বিকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। বাকি সাতজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত না হওয়ায় তাদের মরদেহ দেশে ফেরানোর সময় নির্ধারণ করা যায়নি। নিহতদের স্বজনরা দ্রুত মরদেহ শনাক্ত করে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য যথাযথ ক্ষতিপূরণের দাবিও জানিয়েছেন তারা। নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, পরিচয় নিশ্চিত না হওয়া বাকি মরদেহগুলোর ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। প্রক্রিয়া শেষ হলে সেগুলো দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিহতদের পরিবার পুনর্বাসনেও প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

সৌদির আগুনে নিভে যাওয়া সাত প্রবাসীর শেষ বিদায়ে আত্রাইজুড়ে শোক
নওগাঁ প্রতিনিধি
সৌদি আরবের রিয়াদে একটি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো নওগাঁর আত্রাই উপজেলার সাত প্রবাসীর মরদেহ দেশে ফেরার পর একসঙ্গে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাতটি খাটিয়া পাশাপাশি রেখে স্বজনদের শেষ বিদায় জানানোর দৃশ্য দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন উপস্থিত শত শত মানুষ।
শুক্রবার সকাল ১০টায় আত্রাই উপজেলা সদরের মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল সরকারি কলেজ মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ নিহতদের স্বজন ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
নিহতদের মধ্যে গণ্ডগোহালী গ্রামের দুই সহোদর মোহন আলী ও সুমন আলীর মৃত্যুতে সবচেয়ে বেশি শোক নেমে এসেছে তাদের পরিবারে। দুই ছেলেকে হারিয়ে বাবা গুফফার প্রামাণিক কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ধারদেনা করে সন্তানদের বিদেশে পাঠিয়েছিলেন। এখন সন্তানহারা হওয়ার পাশাপাশি সেই দেনা কীভাবে পরিশোধ করবেন, তা নিয়েও তিনি দিশেহারা।
জানাজা শেষে মরদেহগুলো নিজ নিজ গ্রামের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়। গণ্ডগোহালী গ্রামের চার প্রবাসীর মরদেহ বিকালে পুনরায় জানাজা শেষে একই কবরস্থানে পাশাপাশি খোঁড়া কবরে দাফন করা হয়।
গত ৯ আগস্ট রিয়াদের একটি সোফা তৈরির কারখানায় আগুন লাগলে ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়। সৌদি কর্তৃপক্ষের ফিঙ্গারপ্রিন্ট পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত নয়জনের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে। তাদের মধ্যে সাতজন নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বাসিন্দা।
নিহত সাতজন হলেন—গণ্ডগোহালী গ্রামের মোহন আলী, তার ভাই সুমন আলী, রুবেল প্রামাণিক ও কলিমউদ্দিন ইসলাম, উদনপৈ গ্রামের মো. ফরিদ, ডুবাই গ্রামের সোহেল রানা এবং পারকাসুন্দা গ্রামের আব্দুল জলিল সরকার।
পরিচয় নিশ্চিত হওয়া নয়জনের মরদেহ বৃহস্পতিবার বিকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। বাকি সাতজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত না হওয়ায় তাদের মরদেহ দেশে ফেরানোর সময় নির্ধারণ করা যায়নি।
নিহতদের স্বজনরা দ্রুত মরদেহ শনাক্ত করে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য যথাযথ ক্ষতিপূরণের দাবিও জানিয়েছেন তারা।
নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, পরিচয় নিশ্চিত না হওয়া বাকি মরদেহগুলোর ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। প্রক্রিয়া শেষ হলে সেগুলো দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিহতদের পরিবার পুনর্বাসনেও প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।ইইু

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts