নিউজ প্রবাসী ডেস্ক
শিশুদের প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি তাদের মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিক শিক্ষায় গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, শিশুদের বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ তৈরি করা গেলে ভবিষ্যতে তারাই দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ এবং বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৮ সাল থেকে শিশুদের প্রতিভা বিকাশে সরকারি কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু হবে। শিশুদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের মানবিক গুণাবলি অর্জনের সুযোগ দিতে হবে।
তিনি বলেন, শিশুদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা মানবিকতা, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ ধারণ করে ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে আরও শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে পারে। এ লক্ষ্যেই একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা এবং তাদের অধিকার রক্ষার ওপরও গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে প্রতিভা বিকাশের ক্ষেত্রে শিশুদের জন্য আরও সুযোগ তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
এর আগে মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণে পৌঁছালে ১৫০ শিশু প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানায়। পরে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি ও শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ উপলক্ষে এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘শিশুর ভবিষ্যৎ হোক সুরক্ষিত’।
আয়োজকরা জানান, শিশুদের নিরাপত্তা, অধিকার সুরক্ষা এবং তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরির বিষয়গুলোকে এবারের অনুষ্ঠানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।