নিউজ প্রবাসী ডেক্স:
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে অভিষেকের আগেই নতুন আলোচনায় ওপার বাংলার অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার। ঢাকাই সিনেমা ‘গুলশানের চামেলি’ থেকে তাঁর সরে দাঁড়ানোর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও বিষয়টি নাকচ করেছেন ছবিটির পরিচালক মোহাম্মাদ ইকবাল। নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী মধুমিতাকে নিয়েই সিনেমাটির শুটিং শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
গত আগস্টে ঢাকায় ‘গুলশানের চামেলি’র মহরতে অংশ নিয়েছিলেন মধুমিতা। প্রথমবার বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়ে তখন উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তিনি। এরপর থেকেই সিনেমাটির কাজ শুরুর অপেক্ষায় ছিলেন দর্শক ও চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তবে শুটিং শুরুর আগেই অভিনেত্রীর সরে দাঁড়ানোর খবর ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে পরিচালক মোহাম্মাদ ইকবাল জানান, চলতি মাসের ২৩ তারিখ থেকে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) ফ্লোরে সিনেমাটির সেট নির্মাণের কাজ শুরু হবে। ২৮ নভেম্বর মধুমিতা ঢাকায় আসবেন। এরপর কয়েক দিন চলবে মহড়া। পরিকল্পনা অনুযায়ী ১ ডিসেম্বর বিএফডিসিতে সিনেমাটির শুটিং শুরু হবে।
মধুমিতার সিনেমা ছাড়ার গুঞ্জনকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না পরিচালক। বরং এ ধরনের আলোচনা সিনেমাটির প্রচারে ভূমিকা রাখছে বলে মনে করেন তিনি। অন্যদিকে একটি সংবাদমাধ্যমের কাছে মধুমিতা নিজেও সিনেমা থেকে সরে যাওয়ার খবর অস্বীকার করেছেন। তাঁর ধারণা, একটি মহল পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের তথ্য ছড়াচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গের ছোট পর্দার পরিচিত মুখ মধুমিতা সরকার। ‘বোঝে না সে বোঝে না’ ধারাবাহিকে পাখি চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে দুই বাংলার দর্শকদের কাছে জনপ্রিয়তা পান তিনি। এর আগে ২০১৬ সালে পারভেজ আমিন পরিচালিত ‘মেঘবালিকা’ নাটকে মোশাররফ করিমের বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন। তবে ‘গুলশানের চামেলি’ হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে তাঁর প্রথম কাজ।
প্রায় পাঁচ বছর আগে সিনেমাটি নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলেন পরিচালক মোহাম্মাদ ইকবাল। নানা কারণে এত দিন কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। আবদুল্লাহ জহির বাবুর চিত্রনাট্যে নির্মিতব্য ছবিটিতে মধুমিতা ছাড়াও অভিনয়ের কথা রয়েছে রোজিনা, আজমেরী হক বাঁধন, ওমর সানী, আমিন খান, বাপ্পারাজ ও মিশা সওদাগরের।